মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি ও মজুরি প্রবৃদ্ধি কমে যাওয়ায় এ চাপ তৈরি হবে। সেন্টার ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড বিজনেস রিসার্চ (সিইবিআর) এক বিশ্লেষণে এ তথ্য জানায়। খবর দ্য গার্ডিয়ান।
সিইবিআরের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৬ সালে যুক্তরাজ্যের একটি পরিবারের প্রকৃত আয় গড়ে ১ হাজার ১০০ পাউন্ড কমতে পারে। ২০২৭ সালে আরো ১ হাজার ৩০০ পাউন্ড কমবে।
সংস্থাটির তথ্য বলছে, জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়াই এ চাপের অন্যতম কারণ। হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ার অর্থনৈতিক ধাক্কাও এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
সিইবিআরের জ্যেষ্ঠ অর্থনীতিবিদ লিয়াম ডালি বলেন, ‘জ্বালানির ব্যয় বাড়ার সরাসরি প্রভাব পড়ে পরিবারগুলোর বিলের ওপর। একই সঙ্গে বিভিন্ন পণ্য ও সেবার দামও বেড়ে যায়। ফলে একই পরিমাণ আয় দিয়ে আগের তুলনায় কম পণ্য কিনতে হয়।’
পাশাপাশি রয়েছে পরোক্ষ প্রভাব। মূল্যস্ফীতি ও অর্থনৈতিক চাপের কারণে সুদহার কমানোর সুযোগ সীমিত হয়েছে। যুদ্ধ শুরুর আগে চলতি বছর ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের সুদহার কমানোর প্রত্যাশা ছিল। তবে এখন ঋণের খরচ অপরিবর্তিত রয়েছে। বাজারে ডিসেম্বরের মধ্যে এক দফা সুদহার বাড়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে।
উচ্চ জ্বালানি ব্যয় ও সুদহার স্থির থাকায় পরিবারগুলোর প্রকৃত আয় ও ব্যয়ক্ষমতার ওপর চাপ বাড়বে। এর প্রভাব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতেও পড়তে পারে বলে মনে করছে সিইবিআর। এদিকে যুক্তরাজ্যের গ্রেট ব্রিটেনে অক্টোবর থেকে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের বিলও বাড়ার কথা। দেশটির জ্বালানি নিয়ন্ত্রক অফজেম ত্রৈমাসিক মূল্যসীমা ৪ শতাংশ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ফলে সামনে পরিবারগুলোর ব্যয়ের চাপ আরো বাড়তে পারে বলে ধারণা বিশ্লেষকদের।